
Writing 083
Read Count : 217
Category : Stories
Sub Category : Romance
আবহেলায় অবহেলিত
লেখকঃনাঈম আহম্মেদ @নয়ন@
পর্ব/১
আমি নাঈম আহম্মেদ সবে মাত্র আমি SSC পাশ করেছি 4.97 পয়েন্ট পেয়েছি আজ আমি অনেক খুশি। বাসায় থেকে বেরিয়ে রেস্টুরেন্টের উদ্দেশ্য রওনা দিলাম কারন মিষ্টি তো নিতেই হবে।মিষ্টি নিয়ে বাসায় এসে সবাইকে খাওয়াইলাম😋😜। তারপর খাওয়া দাওয়া করে শুয়ে আছি এমন সময় আমার ফোন চিল্লাচিল্লি করতেছে মানে কেউবা ফোন দিয়েছে স্কিনে তাকিয়ে দেখি মামুন ফোন দিয়েছে
রিসিভ করতেই
মামুনঃ কিরে শালা ৪ টা বাচতে চলেছে আজ আড্ডায় আসবিনা
আমিঃ ভুলেই গিয়েছিলাম তোরা আয় আমি আসছি
মামুনঃ সবাই আসছি তুই তারাতারি আয়
আমিঃ আচ্ছা ৫ মিনিট অপেক্ষা কর
মামুনঃ ওকে
তারপর ফোন কেটে দিয়ে আড্ডার দিকে রওনা দিলাম ( আসলে মামুন রহিম মোকছেদ নাজমুল আমরা প্রাইমারি থেকে পরিচয় আমরা ফ্রেন্ড) আড্ডায় এসে আমরা সবাই কথা বলতে লাগলাম হঠাৎ রহিম বলতে লাগল
রহিমঃ সবাই শোন আমাদের গালফ্রেন্ড আছে কিন্তু নাঈম দোস্তের নাই বেচারা সারাজিবন মনেহয় এরকমই থাকবে হিজরা হয়ে
সবাইঃ হয় মনে হয়😁😁😁😁
আমিঃ শালারা দেখ আমি কি করি তোদের গালফ্রেন্ডদের ফোন দিয়ে কি বলি
সবাইঃ দোস্ত নারে এবারের মতো মাফ করে দে।আর হবেনা
আমিঃওকে মনে থাকে যেন।আর তোরা কোন কোন কলেজে ভর্তি হবি
সবাইঃ তুই যেখানে হবি আমরাও
আমিঃ ওকে কাল ১০ টা রেডি থাকিস আমরা মেহেরপুর কলেজে ভর্তি হবো
সবাইঃ ওকে
তারপর আরো কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে বাসার উদ্দেশ্য রওনা দিলাম বাসায় এসে আব্বু বললেন
আব্বুঃ কিরে বাবা কোন কলেজে ভর্তি হবে ঠিক করলি
আমিঃ মেহেরপুর কলেজে তাছাড়া ওখানে যেতে কম সময় লাগবে
আব্বু ও আম্মুঃ ঠিক আছে
তারপর ডিনার করে রুমে ঢুকে ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করে ঘুমিয়ে গেলাম সকালে কেমন জানি মনে হচ্ছে বৃষ্টি হচ্ছে তখনি চিল্লিয়ে বললাম
আমিঃ আম্মু গো ছাদ ফেটে বৃষ্টি হচ্ছে
নিলাঃ আরে ভাইয়া ছাদ ফেটে নাই আমি তোকে কতক্ষন থেকে ডাকছি এবার ওঠ (আসলে নিলা আমার ছোট বোন এবার অস্টম শ্রেনীতে)
পাঠক বন্ধুরা দেখেনতো কেমন ডা লাগে 😍😀😁😛😜
আমিঃ ও তুই আমি ভাবছিলাম ছাদ ফেটে গেছে( কান টেনে)
নিলাঃ ৯ টা বেজেছে কলেজ নাকি যাবি
আমিঃ তাইতো ভুলেই গিয়েছিলাম
তারপর ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে কলেজের দিকে রওনা দিলাম।
কলেজে এসে দেখি হারামী গুলো বাইরে বসে আছে (মানে আমার শত্রু থুক্কু বন্ধুরা বসে আছে) তার পর...... চলবে
@আমি নতুন লেখক গল্পটিতে কোন ভুল হলে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখবেন @
এটি কাল্পনিক
অবহেলায় অবহেলিত
লেখকঃ নাঈম আহম্মেদ @নয়ন@
পর্ব/২
তার পর তাদের নীয়ে কলেজে ভর্তি হয়ে ক্লাস না করেই বাসার দিকে রওনা দিলাম। বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে দিলাম একটা ঘুম 😴😴😴😴 হঠাৎ ফোনটা কান্না জুরে দিল (মানে কেউ ফোন দিছে) রিসিভ করতেই
রহিমঃকিরে আড্ডায় আসবিনা
আমিঃ নারে একটা কাজে ব্যাস্ত আছি(মিথ্যা বললাম😜)
রহিমঃ ওকে। কালকে আগেই কলেজে যাবো
আমিঃওকে।
তারপর কিছুক্ষণ ফেইসবুক ঘাটাঘাটি করে রাতে খেয়ে দিলাম ঘুম😴😴😴😴 আজ সকালে ৫ টায় ঘুম ভাঙ্গলো। তারপর ফ্রেস হয় বাইরে ঘুরতে একটু বের হলাম মানে জগিং করতে হঠাৎ কারো সাথে ধাক্কা খেয়ে আমি মাটিতে পরে আছি মাটি থেকে উঠতেই 👋👋👋মানে আমাকে কেউ চর মারল। তারপর মাথা উচু করতেই একটা মেয়েকে দেখে ক্রাশ খেলাম।
.. এই যে ছোটলোক তোর সাহস কি করে আমা ধাক্কা দেওয়ার
আমিঃ আমি আপনাকে ধাক্কা দেব হাউ ফানি
...তোদের মতো ছোটলোক গুলো মেয়েদের ধাক্কা দেওয়ার পর এগুলোই বলে
তারপর মেয়েটা চলে যায় আমিও দাড়িয়ে না থেকে বাসায় এসে ফ্রেস হয়ে নাস্তা করে বাইক নিয়ে কলেজে গিয়ে দেখি মামুন ও আরো বন্ধুরা সবাই মিলে আড্ডা দিচ্ছে আমি ওদের সামনে যেতেই দেখি যে মেয়েটার সাথে ধাক্কা খেয়েছি সেও মামুনদের সাথে আড্ডা দিচ্ছে আমাকে দেখেই মেয়েটা বলল
... এই ছোটলোকটা আমাকে ফলো করতে করতে এখানেও এসেছে
মামুনঃবন্যা এসব কি বলছিস যার জন্য আমরা অপেক্ষা করছি এই হলো সেই নাঈম আহম্মেদ
বন্যাঃ ও তাই বলো। আর হ্য সরি মিঃ নাঈম আহম্মেদ
আমিঃ ইটস ওকে। ( তাহলে মেয়েটার নাম বন্যা)
তারপর আরো কিছুক্ষন আড্ডা দিয়ে ক্লাসে গিয়ে একটা একটা করে সব ক্লাস করলাম এভাবে প্রায় একটা বছর কেটে গেল কাল থেকে ইন্টার ফাষ্ট ইয়ার পরিক্ষা সবাই প্রস্তুতি নিচ্ছি। আর হ্যাঁ আমি বন্যাকে অনেক ভালোবেসে ফেলেছি।
আজ পরিক্ষা আমি পরিক্ষা দিয়ে সবার আগে বের হয়েছি কারন সব প্রশ্ন আমার কমন তাই সবার আগে লেখালেখি শেষ মামুনদের জন্য অপেক্ষা করছি ৩০মিনিট পর ওরা বের হলো ( আসলে ওরা যানে আমার সবার আগে লেখালেখি হয় ) ওদের কে উদ্দেশ্য করে বললাম
আমিঃ তোমরা কি আমাকে সাহায্য করতে পারবে
সবাইঃ নাঈম তোর জন্য আমরা সবাই নিজের জীবন ও দিতে পরব
আমিঃ আসলে আমি বন্যাকে ভালোবেসে ফেলেছি
সবাইঃ তা আমরা তোর হাব ভাব দেখেই জেনেসি
আমিঃ জানসতো,, তাহলে কীভাবে প্রোপজ করব একটা বুদ্ধিদে
রহিমঃ শোন ওর....চলবে
@ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী@
পরবর্তী পাঠ কবে দেব ঠিক নেই
অবহেলায় অবহেলিত
লেখক: নাঈম আহম্মেদ (নয়ন)
পর্ব/৩
রহিমঃ শোন ওর সামনে গিয়ে হাটু গেরে বসে একটা গোলাপ ফুল সাথে একটু ছন্দ বলেই প্রোপোজ করবি।।
আমিঃ ওকে ভাই ।।
একে একে সব পরিক্ষা শেষ আর মাত্র ১ টা পরিক্ষা আছে সেই পরিক্ষা দিয়ে বাইরে এলাম কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর দেখলাম বন্যা আসছে আমি বন্যাকে বললাম,,,,,
আমিঃ বন্যা তোমার সাথে আমার কিছু কথা আছে।
বন্যাঃ বলো কি বলবে বলো।
আমিঃ সিক্রেট বিষয় ঐদিকে গোপন রুমটাতে চলো।
বন্যাঃ ওকে চলো।
তারপর আমরা গোপন রুমটাতে গেলাম বন্যা বলল কি বলবে বলো
আমিঃ আমি আসলে মা মা মানে ঈ ইয়ে।
বন্যাঃ কি মানে মানে বলছো। কি বলতে চাইছো বলো..
বন্যার সামনে একটা গোলাপ নিয়ে হাটু গেরে বসে আমি বললাম,,,,
আমি: 😉রিদয়ের কাঙ্খিত স্থানে তোমায় রেখেছিলাম বন্যা। 😛
ভালো বেসে গিয়েছিলাম এই যে আমি নাঈম মিয়া।😛
আমি হতে চাই তোমার সন্তানের বাবা 😉
💖 Love you bonna 💖
এই কথা বলার সাথে সাথে বন্যা নিজের ওরনাটা ফেলে দিলো।
আমি: বন্যা তুমি ওরনা ফেলে দিলে কোনো।
বন্যা : তুই দেখতে থাক আরো কি হয়। হা হা হা।😁😁
তারপর বন্যা নিজে কাপর ছিরতে শুরু করলো আর জোরে জোরে চিৎকার করে বলছে বাচাও বাচাও আমি বন্যাকে অনেকবার থামাতে চেষ্টা করেছি কিন্তু পারছিনা । বন্যার চিৎকার শুনে সাথে সাথে সমস্ত স্টুডেন্টরা গোপন রুমে হাজির হয়।
বন্যা দৌড়ে গিয়ে লতীফ ভাইয়ের পিছনে দাড়াল ও বলতে শুরু করল
বন্যা: তোমরা আমাকে বাচাও এই বদমাইশের হাত থেকে বাচায়। আমাকে একা পেয়ে। ( তারপর বন্যা জোরে জোরে কান্না শুরু করলো )
লতিফ ভাই : নাঈম তোমাকে আমি অনেক ভালো ছেলে মনে করতাম। শেষে কিনা তুমি ছি ছি ছি।
আমি: লতিফ ভাই বিশ্বাস করেন আমি এরকম করি নি । প্লিজ বোঝার চেষ্টা করেন।
লতিফ ভাই: বিশ্বাস তোমাকে করবো আর আমি যা বোঝার বুঝেই গেছি। দারা পুলিশ কে খবর দিচ্ছি
ইতিমধ্যে প্রিন্সিপাল সহ সমস্ত শিক্ষক হাজির হয়ে গেলো।
প্রিন্সিপাল : কি হয়েছে এখানে ( সবার উদ্দেশ্য )
বন্যা: ওই বদমাইশ টা আমাকে এই রুমে ডেকে এনে ( আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়ে)। এই কথা বলে কান্না শুরু করলো।
আমি: প্লিজ স্যার একটু বোঝার চেষ্টা করুন। আমি এরকম কিছূ করার চেষ্টা করিনি। ও মিথ্যা বলছে।
প্রিন্সিপাল : যা বোঝার আমি বুঝে গেছি। নাঈম আমি তোমাকে ভালো মনে করতাম আর শেষে কিনা তুমি এই রকম কাজ করলে। ছি ছি ছি। একটি বার কলেজেরর সম্মানে দিকে দেখলে না।
কথা গুলো বলে ঠাস👋..... ঠাস👋....ঠাস👋 করে কয়েকটা কষে চর মারলো।
ইতিমধ্যেই পুলিশ এসে হাজির।
প্রিন্সিপাল : Acp স্যার এই গুন্ডাটাকে নিয়ে যান। এই বদমাইশ একটা ধর্ষন কারী আমার ছাত্রি বন্যাকে এই রুমে ডেকে এনে ছি.. ছি...ছি।
সমস্ত প্রমান নিয় Acp আমাকে থানায় নিয়ে গেলেন।
ওদিকে আব্বু আম্মু ও ছোট বোন এই কথা সুনে থানায় এসে আমার কাছে আসলো
আব্বু: নাঈম তুই এই রকম নিকৃষ্ট কাজ করবি আমি জীবনেও ভাবিনি। জানিস তোকে নিয়ে তোর মায়ের আর আমার কতো সপ্ন ছিলো । তা তুই এক নিমিষেই শেষ করে দিলি ( কান্না করে )
আমি: আব্বু তুমি ও আমাকে অবিশ্বাস করলে। আমি কি এরকম কাজ করতে পারি তোমরাই বলো।
আব্বু: বিশ্বাস তোর মতো ছেলেকে করবো। আর জীবনেও আমাকে আব্বু বলে ডাকবিনা আমার কোনো ছেলে নেই।
আমার চোখ দিয়ে অজান্তেই পানি পড়া শুরু করলো । মনে হয় এখনোই আত্মহত্যা করে মরে চাই। আজ মনে হচ্ছে আমার মতো অসহায় আর কেউ নেই ।😅😅
আম্মু: আমি কি করে যে তোর মতো পশুকে আমার পেটে রেখেছি । ছি... ছি... ছি...। তোর মতো পশুকে যন্মের আগেই মেরে ফেলা উচিত ছিলো। ( কান্না কন্ঠে )
নিলা: আমি ভাবতাম আমার ভাইয়েই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ভাই । আসলে আমার ধারনা ভুল। আচ্ছা আজ যদি আমাকে কেউ ধর্ষন করতো তাহলে তোমার কেমন লাগতো । আজ থেকে আমার কোনো ভাই নেই।
আমি: তোমরা সবাই আমাকে ভুল বুঝছো আমি ধর্ষণকারী নই আমি সুধু বন্যাকে ভালোবাসি কথাটার বলার জন্য ওই রুমে ডেকেছিলাম। প্লিজ তোমরা বুঝার চেষ্টা করো।। ( জোরে কান্না করে )
আমার কথার গুরুত্ব না দিয়ে ওরা চলে গেলো।
হায়রে আমার কপাল নিজের বাবা মা বোন আমার সাথে থেকেও আমাকে বুঝলোনা।
সন্ধার সময় রহিম ও মামুনরা এলো।
আমি: মামুন তোরা তো সবিই জানিস। কিছু একটা করনা ভাই।
মামুন : প্রিন্সিপাল স্যার সহ সবাইকে বলেছি তুমি কিছু করোনি। কিন্তু কেউ কিছু বুঝলোনারে। তবে চিন্তা করিস না তোকে ঠিক বের করবোই।
তারপর ওরা চলে গেলো। অন্য দিকে বন্যার বাড়িতে আব্বু ও আম্মু গেলেন বন্যার আব্বুকে আমার আব্বু বললো
আব্বু : ভাই সাহেব আমার ছেলের কর্মকান্ডেই আমরা লজ্জিত। যা হবার তা হয়ে গেছে আমি একটা কথা বলবো।
বন্যার আব্বু: জী..... কি বলবেন বলেন
আব্বু: আমার ছেলে নাঈমের সাথে আপনার মেয়ের বিয়ে দেওয়ার জন্য এসেছি।
বন্যার আব্বু: তাছাড়া তো কোনো উপায় দেখছিনা। বন্যাকে তো রাজি করাতে হবে।
আব্বু: হুম।
তারপর বন্যার আব্বু বন্যাকে ডাকলেন
বন্যার আব্বু: যা হবার হয়েছে এখন তোর সাথে নাঈমের বিয়ে দিবো। প্লিজ না করিস না
এ কথা সুনার সাথে সাথে বন্যার ফুরফুরে মেজাজে মনে হয় বজ্রপাত পরলো।
বন্যা: কি বলছো বাবা,, ওই বদমাইশকে আমি বিয়ে করতে পারবোনা।
বন্যার আব্বু: দেখ মা তোকে নাঈমকেই বিয়ে করতে হবে।
অতপর বন্যার ভাবনাকে পাত্তা না দিয়ে তারা বিয়ে পাকাপাকি করে রাত ১০ টার দিকে কাজি নিয়ে থানায় আসলেন। আমি বন্যার দিকে তাকিয়ে দেখলাম ওর মুখটা সুকনা সুকনা লাগছে আনেক চিন্তিত। কোনো মতে সবার জোড়া জুড়িতে বন্যা কবুল বলেছে। আসলে বন্যা ওর আব্বুকে অনেক ভয় পায়।
আমি ভাবছিলাম বিয়ের পর আমাকে বাড়িতে নিয়ে যাবে। কিন্তূ না আব্বু বললেন.,,
আব্বু: Acp স্যার হায়নাটাকে আমার চোখের সামনে থেকে নিয়ে যান। যতদিন না ও নিজের কর্মের শাস্তি পাচ্ছে ততদিন আমার সামনে যেন সে না আসে।
এই কথা বলে ওরা সবাই চলে গেলো। আমার চোখ দিয়ে অঝরে পানি পরছে । অসহায়ের মতো তাকিয়ে ছিলাম তাদের যাওয়ার দিকে। আর মনে মনে বলছিলাম কি অপরাধ করেছি আমি যে আজ সবার অবহেলার পাত্র। আর বন্যা বা কেনো এরকম মিথ্যা অপবাদ দিলো। তখনি হাবিলদার আমার হাত ধরে হাজোতে পুরে দিলেন। অনেক কষ্টে রাতটা মসার কামরে ও গরমে কাটিয়েছি
সকাল ১০ টার দিকে আমাকে নিয়ে আদালতে যাওয়া হলো। বন্যার পক্ষে উকিল নিজের মতো সাজানো উক্তি দিলেন । আর আমার তো এখন কেউ নাই যে আমার পক্ষে উকিল হাজির করবে। আর উকিল এনেই বা কি লাভ আজকাল মেয়েদের একটা মিথ্যা কথারতো হাজার গুন সুনানি। অন্যদিকে আমার নিজের আব্বু আম্মুই তো আমার বিপক্ষে। অবশেষে জর্জ আমাকে ১০ দিনের রিমান্ডের ঘোসনা দেন। ১০ রিমান্ডের কথা সুনে আমার হাত পা অবোস হয়ে আসছে। পুলিশ রা আমাকে আদালতের বাইরে আনার সাথে সাথে মামুন,রহিম ও নাজমুলরা আমার কাছে আসলো।
মামুন: নাঈম ভাই কিছু মনে করিস না তোর জন্য আমরা কিছু করতে পারলাম না। তবে চিন্তা করিস না তোকে খুব শিঘ্রই থানা থেকে বের করবো।
আমি: তোরা আবার কি করবি সবিই আমার কপাল। যেখানে আমার পিতা মাতা আমার বিপক্ষে সেখানে তোরা বন্ধু হয়ে বা কি করতে পারিস.........চলবে
(আমি নতুন লেখক কোনো ভুল হলে ক্ষমাপ্রার্থী)